কর্পোরেট দায়বদ্ধতা

সঠিক ও পরিশীলিত কর্পোরেট সুশাসন মেনে চলায় আমরা স্বল্পমেয়াদী মুনাফার কথা ভাবিনা, এর চেয়ে বরং মানুষকে আপন শক্তিকে জ্বলে উঠার প্রেরণা ও সুযোগ প্রদানের দিকেই আমরা মনযোগী। তাই আমরা যেখানে কার্যক্রম পরিচালনা করি সেখানকার জনগোষ্ঠীর স্থিতিশীল উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে কর্পোরেট দায়বদ্ধতা বিষয়ক কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করি যা ফলশ্রুতিতে একটি স্থিতিশীল ব্যবসায়িক পরিবেশের জন্যও সহায়ক।

রবি’র কর্পোরেট দায়বদ্ধতা আমাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের মূল সুর- ‘জীবন বদলাতে প্রযুক্তি’র সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা ডিজিটাল কর্মদক্ষতার উন্নয়ন এবং এতে জনসাধারণ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে অন্তর্ভূক্ত করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষার উপর জোর দিয়েছি। এছাড়া মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনার জন্য প্রযুক্তি-নির্ভর ব্যবস্থা প্রদান করতে আগ্রহী রবি। এভাবে জনগণের অর্ন্তনিহিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তাদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে টেকসই সামাজিক উন্নয়নের পথে রবি তার অবদান অব্যহত রাখতে চায়।

গড়ি নিজের ভবিষ্যৎ

“আমি আমার নিজের ব্যবসা শুরু করেছি”- মোঃ  ইমরান হোসেন
বছরখানেক বাবাকে হারাই। স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিতে হয়। পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিতে আমি ছোট একটি কম্পিউটার সার্ভিসিং সেন্টারে কাজ শুরু করি।  এ সময় “গড়ি নিজের ভবিষ্যৎ” কার্যক্রম সম্পর্কে  জানতে পারি। আমার দোকান মালিকের সহায়তায় সেখানে ভর্তি হই। ইলেক্ট্রনিক্সের উপর তিন মাসের প্রশিক্ষণ শেষে আমি একটি ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে নিজে কম্পিউটার সার্ভিসিং সেন্টার খুলি। এখন প্রতি মাসে আমি কমপক্ষে ৭০০০ টাকা উপার্জন করছি। আমার জীবন বদলে গিয়েছে। ধন্যবাদ রবি এবং ইউসেপ। 
 
  “আর্থিকভাবে সহায়ত করে আমি আমার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পেরেছি”- সালমা আকতার
ছোট পান বিক্রেতা হিসাবে সংসার চালাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতেন আমার বাবা। মা একজন গৃহিনী। অষ্টম শ্রেণী পাশ করতেই আমার বিয়ে হয়ে যায়। আমার স্বামী জাহাজ ভাঙা শিল্পে ওয়েল্ডার হিসাবে কাজ করেন এবং আমার শাশুড়ির চিকিৎসা ব্যয় মেটানোসহ পরিবারের খরচ চালাতে তাকেও রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। পরিবারের খরচ মেটাতে স্বামীকে সহায়তা করতে আমি চট্টগ্রামের ইউসেপ আমবাগান টেকনিক্যাল স্কুলে রবি’র সহায়তায় পরিচালিত ইলেক্ট্রনিকস প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে ভর্তি হই। তিন মাসের প্রশিক্ষণ শেষে তারাই একটি জাপানি প্রতিষ্ঠানে ৪,৪৬০ টাকা বেতনে অ্যাসিস্টেন্ট টেকনিশিয়ান হিসাবে আমার চাকরির ব্যবস্থা করে দেন। প্রতিষ্ঠানটি দুপুরের খাবার, বিকালের নাস্তা ও বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধাও প্রদান করে। তিন মাস পরেই আমার বেতন হবে ৬ হাজার টাকা।
পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা করারা সুযোগ করে দেয়ার জন্য আমি রবি ও ইউসেপের কাছে কৃতজ্ঞ।
“আমি নিজের উপার্জনে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে এবং আমার নিজের একটি মোবাইল ফোন সার্ভিসিংয়ের দোকান দিতে চাই”- মো. নসুরুল্লাহ 
সাত সদস্যের পরিবারের খরচ চালাতে আমার বাবা ও বড় ভাই দর্জির কাজ করেন। পরিবারের প্রতিটি চাহিদা মেটাতে তারা প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করছেন এবং আমার পড়াশোনার খরচ চালানো দিন দিন তাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছিল। আমি যখন রবি ও ইউসেপের “গড়ি নিজের ভবিষ্যৎ” এবং বিনামূল্যে মোবাইল ফোন সার্ভিসিং প্রশিক্ষণের বিষয়টি জানতে পারি আমি সাথে সাথেই সেখানে ভর্তি হই। তিন মাসের ট্রেনিং শেষে তারাই আমাকে শাহ-আমানত মার্কেটে ‘মোবাইল ভিউ’ নামে একটি মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারে চাকুরির ব্যবস্থা করে দেন। বর্তমানে আমি এই চাকুরি থেকে এবং আমার আশেপাশের লোকজনের মোবাইল ফোন সার্ভিসিং করে মাসে প্রায় ৫ হাজার টাকা আয় করছি। আমার উপার্জন থেকে আমি নিজের লেখা-পড়ার খরচ চালিয়ে যেতে এবং মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান দিতে চাই। 
রবি ও ইউসেপ’কে আমার মতো ছেলে-মেয়েদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ধন্যবাদ জানাই।    
 
এগুলো রবি ও ইউসেপ বাংলাদেশ’র অন্যতম কর্পোরেট দায়বদ্ধতা প্রকল্প “গড়ি নিজের ভবিষ্যত”-এর কয়েকটি সাফল্যের চিত্র, যার মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রামের ৫০০ সুবিধাবঞ্চিত ছেলে-মেয়েদের বিনামূল্যে মোবাইল ফোন সার্ভিসিং, ইলেক্ট্রনিকস ও আরএমজি খাতের জন্য সেলাই মেশিন পরিচালনার উপর কারিগরী প্রশিক্ষণ প্রদান করছি।

আমরা ইতোমধ্যে প্রথম ব্যাচের ১০০ শিক্ষার্থীর প্রশিক্ষণ কর্মসূচী শেষ করেছি। দ্বিতীয় ব্যাচে আরো ২০০ জন শিক্ষার্থী তাদের কারিগরী শিক্ষা নিচ্ছেন এবং নিজেরাই উপার্জন শুরু করেছেন।

ইন্টারনেট ফর ইউ


বিশ্বজুড়ে ভয়েস থেকে ডাটা-ভিত্তিক পণ্য ও সেবার দিকে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা। কিন্তু তুলনামূলকভাবে সচেতনতা, ডাটা-সার্ভিস সংক্রান্ত আগ্রহ এবং ইন্টারনেটের নানাবিধ ব্যবহার কম থাকার কারণে মূলত বাংলাদেশে এখনো ইন্টারনেট ব্যবহারের হার অনেক কম।​
এই শূণ্যস্থান পূরণ করতেই রবি সারাদেশের কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নেটওয়ার্কিং, লার্নিং এবং ডেভলপমেন্টের অনুষঙ্গ হিসাবে ইন্টারনেটের ‘সঠিক এবং নিরাপদ’ ব্যবহার নিশ্চিত করতে   ‘ইন্টারনেট ফর ইউ’ ক্যাম্পেইনটি চালু করেছে। ইন্টারেক্টিভ সেসন ও সরাসরি প্রদর্শনীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামনে আরো ভালো জীবন-যাপনের জন্য সেল্ফ-এডুকেশন, স্কিল ডেভলপমেন্ট এবং চাকুরির সুযোগের অনুষঙ্গ হিসাবে ইন্টারনেটের উপযোগীতা তুলে ধরা হচ্ছে।
বরিশালের অমৃত লাল দে কলেজ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকায় বিভিন্ন সেশনের আয়োজন করা হয়। এছাড়া রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, সিলেট এবং বরিশাল বিভাগের গণগ্রন্থাগারগুলাতে রবি ইন্টারনেট কর্নারে সশনের আয়োজন করা হয়।   
 

বাংলাদেশে রবি’র বিশেষ অফার ফেসবুকের বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্লাটফরম ইন্টারনেট ডট ওআরজি’তে প্রতিদিন ২ মিলিয়ন গ্রাহক প্রবেশ করেন, যেখানে রবি’র গ্রাহকরা ২২ টি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট কোনো রকম ডাটা চার্জ ছাড়াই দেখার সুযোগ পান।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, সিলেট এবং বরিশালের সাতটি রবি ইন্টারনেট কর্নারে প্রতিবছর ১৬ হাজারের বেশি ব্যবহারকারীর জন্য ৫ হাজার ঘন্টার ইন্টারনেট বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে।

টেন মিনিট স্কুল

আমাদের ডিজিটাল জীবন যাত্রায় প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ছোঁয়ার বিস্তৃতির অন্যতম কারণ সহনীয় মূল্যে ইন্টারনেট সংযোগ প্রাপ্তি। আমাদের পড়াশোনার জগতে ভিন্নতা আনতে দায়িত্বশীল অপারেটর রবি ও টেন মিনিটস স্কুল একটি নতুন প্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষাকে উৎসাহ দিচ্ছে, যেখানে প্রথমবারের অনলাইন প্লাটফর্মে শিক্ষার সমন্বতি সমাধান মিলছে। এবং সেটি বিনামূল্যে।
  • দেশের শীর্ষ  সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য সহায়ক নির্দেশনা এবং মডেল টেস্টের ব্যবস্থার সুযোগ থাকবে।  এটি শিক্ষার্থীদের  কোচিং নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি ব্যয় সাশ্রয়   করবে। 
  • জেএসসি, এসএসসি এবং এইচএসসি শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রমের আওতায় সব বিষয়ে অনলাইন কোর্স, টিউটোরিয়াল এবং কুইজের মাধ্যমে শিক্ষা সহযোগিতা করতে সহায়তা করবে। স্কুল সময়ের পরে অনুশীলনেরও  সুযোগ থাকছে।  
  • এসএটি, আইইএলটিএস, জিম্যাট, জিআরই’র সাথে সর্ম্পকিত কোর্সের কনটেন্টও থাকছে।
শিক্ষার্থীরা অনলাইনে শিখতে এবং অনুশীলন করতে পারবে। মজা করে এবং  তার পছন্দমত সময়ে শেখার এ সুযোগ  নিতে তার প্রয়োজন  ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন স্মার্টফোন, ল্যাপটপ,  অথবা নিজের একটা কম্পিউটার।  আর সময় লাগছে মাত্র ১০ মিনিট!
রবি বিশ্বাস করে ’টেন মিনিটস স্কুল’র মত প্ল্যাটফর্ম  শিক্ষার্থীদের শেখার পদ্ধতিই বদলে দিবে।  শিক্ষার সুযোগ নিয়ে আসবে নখদর্পনেই। এ জন্য শিক্ষার্থীর অবস্থান, অর্থনৈতিক সামর্থ অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নৈকট্য  কোনো ব্যাপারই নয়।

জীবনের জন্য পানি

রবি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে ঢাকা (কমলাপুর এবং উত্তরা), চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর রেলওয়ে স্টেশনে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং ওয়াটার এইডের সহায়তায় প্রতি ঘন্টায় ৩০ হাজারেরও বেশি যাত্রী ও দর্শনার্থীদের কাছে বিনামূল্যে ৫ হাজার লিটার পানি সরবরাহ করছে।​
২২ মার্চ, ২০১৬ তারিখে রবি বিশ্ব পানি দিবস উদযাপন করে। সুপেয় খাবার পানি রেলের যাত্রী ও দর্শনার্থীদের জন্য বিনামূল্যে সরবরাহ করা দেশের সাতটি রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যে প্রধান দু’টি স্টেশন ঢাকার কমলাপুর এবং বিমানবন্দর রেল স্টেশনে এ কর্মসূচী পালিত হয়। এই প্রচারাভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভবিষ্যতের জন্য পানি সংরক্ষণের গুরুত্ব বোঝানো ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। স্টেশনজুড়ে প্রদর্শন করা হয় সচেতনতামূলক বার্তা। যেখানে রবি’র স্বেচ্ছ্বাসেবকরা পানির অপচয় রোধ এবং পানি সংরক্ষণের সাথে সর্ম্পকিত বিভিন্ন বিষয়ের সাথে স্টেশনে আসা মানুষদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন।  

রবি’র আলো

বিদ্যুতের  সুবিধা পেঁৗঁছে দিতে রবি কুড়িগ্রাম এবং নাইক্ষ্যংছড়ির  রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সুবিধা বঞ্চিত ৯৫০ টি  পরিবারের প্রায় ৪ হাজারেরও বেশি মানুষের কাছে সৌর বিদ্যুতের সরবরাহ করছে। এটি উল্লেখযোগ্য হারে কেরোসিনের বাতির উপর স্থানীয় মানুষের নির্ভরতা কমিয়েছে। একই সাথে গ্রিণ হাউস গ্যাস নির্গমন ককিময়ে পরিবেশ সুরক্ষায় সহায়তা করছে। এলাকার মানুষের জীবন যাত্রায়ও সৌর বিদ্যুৎ বৈপ্লিবিক পরিবর্তন এনেছে। মানুষজন সেখানে এখন মোবইলফোন ব্যবহার করছে।  

অটস্টিকি ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের পাশে রবি



শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে অটস্টিকি ও বিশেষ যতেœর প্রয়োজন থাকা শিশুদের সহায়তাকারী সংগঠন 
সীড (সোসাইটি ফর এডুকেশন অ্যান্ড ইনক্লুশন অব দ্য ডিজঅ্যাবলড) ট্রাস্টকে স্বাস্থ্য সহায়ক এবং ফিজিওথেরাপির উপকরণ  প্রদান করেছে রবি। 

সীড ট্রাস্ট একটি বেসরকারি স্বেচ্ছ্বাসেবী উন্নয়ন সংস্থা যেটি বুদ্ধিবৃত্তিক এবং নানা ধরণের সমস্যা, অটিজম, ডাউন সিনড্রোম, সেরিব্রাল পালসিসহ নানা রোগে আক্রান্ত সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের অধিকার এবং সামাজিক সংযুক্তি নিয়ে কাজ করে। তিনটি কেন্দ্র থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। নিম্ন আয়ের পরিবার থেকে আসা প্রায় ৪৫০ জনেরও বেশি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে কাজ কওে সীড ট্রাস্ট। 

সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ কোম্পানি হিসেবে, রবি সবসময়েই সক্রিয়ভাবে সে সব কার্যক্রমে অংশ নেয় যা সমাজকে সমুন্নত করে। এই ধারা বজায় রাখতে, রবি ২০১৬ সালের জন্য তাদের কর্পোরেট ডায়েরি সাজিয়েছে সীড ট্রাস্ট  এবং প্যারেন্ট ফোরাম ফর ডিফারেন্টলি অ্যাবলড’র শিশুদের আঁকা বিভিন্ন ছবির মাধ্যমে। এই সিদ্ধান্তটি সমাজে অটিজম বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে নেয়া হয়।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে রবি



২০১৫ সালে দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছিল রবি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪তম এবং ১০ম ডিভিশনের সহায়তায় বান্দরবান, কক্সবাজার ও রামুতে ২০ হাজারেরও বেশি দুর্গত মানুষকে সহায়তা করে রবি। 

রবি’র মূল কোম্পানি আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদ ২০১৬ সালরে মার্চ মাসে মোবাইল ফোন অপারেটরদের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএ’র হিউম্যানিটেরিয়ান কানেকটিভিটি চার্টারে স্বাক্ষর করেছে। চার্টারের স্বাক্ষরকারী হিসেবে আজিয়াটা গ্রুপ যেসব দেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে সেসব দেশের পরিচালনা নীতি মেনে যেকোন বিপদের সময় বা দুযোর্গকালে গ্রাহকদের পাশে দাঁড়াতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। 

বিশেষ করে, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার শীর্তাত মানুষের কাছে রবি কম্বল এবং শীতবস্ত্র বিতরণ করে।
 

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে সর্মথন করে রবি।

 
 
 
কর্পোরেট দায়িত্বশীলতা
কর্পোরেট দায়িত্বশীলতা
অন্যান্য কার্যক্রম
subscriber email