|
রবি’র সামাজিক দায়িত্বশীলতামূলক কার্যক্রম
সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রবি বড় ধরনের সিএসআর কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ কর্মসূচির লক্ষ্য হচ্ছে, সামাজিক উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখা। জীবনমানের উন্নতিকল্পে একটা উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার জন্যে রবি স্বাস্থ্য, ¨, পরিবেশ ও তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষায় এর সিএসআর কর্মসূচিকে ব্যাপ্ত করেছে। সামাজিক চাহিদার নিরিখেই রবি তার কর্মসূচিকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্যপরিষ্কার খাবার পানি: রবি’র একটা যুগান্তকারী কাজ হচ্ছে, দেশের উল্লেখযোগ্য রেলওয়ে স্টেশনগুলোতে পরিষ্কার খাবার পানি সরবরাহের জন্যে সরবরাহ যন্ত্রাদি স্থাপন করা। বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়াটার এইডের সহায়তায় রবি ঢাকার কমলাপুর ও এয়ারপোর্ট স্টেশনে পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্ট স্থাপন করেছে। একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা স্টেশনগুলোতেও। এসব স্থাপনাগুলো থেকে ঘন্টায় ৫০০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হয়, যা থেকে করে হাজারো যাত্রী উপকার পাচ্ছে। বক্রপা নিরাময়:স্বাস্থ্য খাতের উন্নতির জন্যেও রবি নানাবিধ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এগুলোর মধ্যে আছে রক্তদান ক্যাম্প, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা, কর্মীদের জন্যে নিরাপদ মোটর চালনা আন্দোলন ইত্যাদি। এই খাতে অন্যতম কর্মসূচি হচ্ছে শত শত বক্রপা শিশুদের পায়ের চিকিৎসা দেওয়া। ২০১২ সালে চট্টগ্রাম বিভাগের ৯টি জেলায় এই চিকিৎসা সেবা পরিচালিত হয়, এবং এ থেকে এক হাজারেরও বেশি শিশু উপকৃত হয়। পরিবেশ:রবি আলো: বাংলাদেশের অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা যায়নি। গ্রিডের বাইরে বসবাসকারী এসব মানুষ আলোর জন্যে কেরোসিন কিংবা মোমবাতির উপর নির্ভর করে। এই অসুবিধা দূর করার জন্যে রবি কুড়িগ্রাম ও রংপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ৫৯০টি বাড়িতে সোলার প্যানেল সরবরাহ করেছে। এই ব্যবস্থা দরিদ্র মানুষদের জীবনে শুধু স্বস্তিই এনে দেয়নি; এতে তাদের মধ্যে কার্বনের ব্যবহারও ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে, এবং তারা তেল কিংবা মোমবাতি কেনার খরচ থেকেও রেহাই পেয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি:মৌলিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও ইন্টানেট কর্ণার: বর্তমান দুনিয়ায় তথ্য প্রযুক্তি আমাদের জীবনের সর্বত্রই একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জ্ঞানের জগতকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার ও তথ্য প্রাপ্তি খুবই জরুরী। এসব বিবেচনায় দূরবর্তী অঞ্চলের ৭২টি কলেজে কম্পিউটার কর্নার স্থাপন করে দিয়েছে। এই ব্যবস্থা সেখানকার ছাত্রছাত্রীদের সুযোগ-সুবিধার নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে। তারা সেখান থেকে ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে তথ্য ও জ্ঞান ভা-রে প্রবেশ করতে পারছে। সেইসাথে রবি সকল বিভাগীয় গণগ্রন্থাগারে ইন্টারনেট কর্নার স্থাপন করে দিয়েছে। সরকারের ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন, সেটাকে সামনে রেখেই রবির এই উদ্যোগ। |



